যখন বাড়ির বাইরে যাবেন, মাথাটা উঁচু রেখে ফুসফুসে বেশ জোরে হাওয়া নিন। কিছুটা
সূর্যকিরণ গায়ে মেখে নিন। বন্ধুদের সাথে দেখা হওয়া মাত্র হৈ হুল্লোড়ে মেতে উঠবেন ।
তাদের সাথে আন্তরিকভাবে করমর্দন করবেন। ভুল বোঝাবুঝির কথা মোটেও ভাববেন না। বন্ধুদের
কখনো শ্ত্রু ভেবে সময় নষ্ট করবেন না। কী করতে চলেছেন তা ভাবুন। মনটাকে দৃঢ় করুন। কিছুই
হয়নি এমনভাবে স্থির লক্ষ্যে এগিয়ে যান। যেসব দারুন কাজ করতে মনস্থ করেছেন, সেসব কথাই
ভাবতে থাকুন। দেখবেন সমস্যাগুলি ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। আপনি ক্রমশ দৃঢ় পদক্ষেপে
ইচ্ছাপূরণের দিকে এগিয়ে চলেছেন।
ঠিক যেভাবে প্রবাল সাগরের ঢেউ থেকে তার দরকারি জিনিসগুলি সংগ্রহ করে নেয়,
আপনাকেও পারিপার্শ্বিক অভিজ্ঞতা থেকে তা সংগ্রহ করতে হবে। ব্যক্তিত্বকে আরো সুখদায়ি
করতে হবে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে আপনি যদি চেষ্টা করেন, তাহলেও হয়তো সফল হবেন না। কিন্তু
এতোটুকু হাসি খুশী মনোভাব আপনাকে আর বেশী আগ্রহী এবং অগ্রাসী করে তুলবে। আসলে চিন্তার মধ্যেই মানুষের আসল ব্যক্তিত্ব
লুকিয়ে থাকে। চিন্তাকে স্বচ্ছ, সুন্দর, শোভন করতে হবে। সব সময় চরিত্রের মধ্যে সারল্যের
ভাব আনবেন। তাহলেই আপনার দক্ষতা সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে যেতে পারবে। মনে রাখবেন,
প্রতিটি ঐকান্তিক প্রয়াসের জন্ম হয় মানুষের কল্পনাশক্তির মধ্যে। কল্পনাশক্তিকে সুদূর
প্রসারী করতে না পারলে আমাদের প্রয়াস মাঝ পথেই মুখ থুবড়ে পড়বে। তখন আমরা আর সফল হতে
পারবো না।

0 Comments