একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, সেলস গার্ল হিসেবে সেই মেয়েরাই চটপট হয়ে উঠে, যাদের মুখে হাসর টুকরো লেগে থাকে। যদি কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করে গোমরা মুখে বসে থাকে, তাহলে সেলসের কাজে সে মোটেই পারদর্শী হতে পারবে না।


যদি কোনো লোকের চরিত্রের মধ্যে আনন্দের ছাপ না পড়ে তাহলে সে কোনো সফলতা কাজে অর্জন করতে পারে না। অমানুষিক পরিশ্রম করলেই যা সাফল্য অর্জন করা যায়, এই প্রাচীন ধারণা কবে নস্যাৎ হয়েগেছে। যারা সফলতার সর্বচ্চ শিখরে উঠতে পেরেছেন তারা আসলে তাদের কাজের মধ্যেই আনন্দ খুঁজে বের করতে পরেছেন। যদি কেও কাজের মধ্যে একঘেয়েমির সন্ধান করেন, তাহলে তিনি কিছুতেই সফল হবেন না।